আমি আওয়ামী লীগের দোসর কোথা থেকে হলাম?

ভাইরাল হওয়া  এক ভিডিওতে জড়ো হওয়া যুবকদের অনেককে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মনজুর আলমকে আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে আখ্যা দিতে শোনা গেছে। এ প্রসঙ্গে মনজুর আলম জানান, আমার নামে তো কোনো মামলাও নেই। আমি আওয়ামী লীগও করি না। আমি আওয়ামী লীগের দোসর কোথা থেকে হলাম? তিনি বলেন, আমি তো বিএনপির মেয়র ছিলাম। আমি কী আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছিলাম নাকি? আওয়ামী লীগের তো আমি কিছুই ছিলাম না।

এম মনজুর আলম বলেন, চট্টগ্রামে হাসনাত আবদুল্লাহ সাহেবের একটি প্রোগ্রাম ছিল। তিনি চট্টগ্রামে এসে আমাকে দুপুরে ফোন দিয়েছিলেন। বলেছিলেন আমার বাসায় আসবেন। আমি তাকে দুপুরের খাবারের আমন্ত্রণ জানাই। তিনি বলেন, বিকাল ৩টার দিকে হাসনাত আবদুল্লাহ বাসায় আসেন এবং দুপুরের খাবারও খান। তিনি আরও বলেন, এর কিছুক্ষণ পরে স্থানীয় কিছু ছেলে বাইরে জড়ো হয়েছিল। পরে হাসনাত আবদুল্লাহ নিজে গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সাড়ে পাঁচটা–ছয়টার দিকে চলে যান।

এম মনজুর আলম আরও বলেন, এখানে যারা এসেছিল, সবাই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত, এবং তাদের বাসা আশপাশের এলাকায় বলে দাবি করেন তিনি। নিজের বর্তমান অবস্থান উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০১৫ সালের নির্বাচনের পর তিনি রাজনীতি থেকে অবসর নিয়েছেন। এখন সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গে জড়িত আছি।

আগামীতে এনসিপির হয়ে মেয়র নির্বাচন করতে চান কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে মনজুর আলম বলেন, মানুষ এটা নিয়ে কানাঘুষা করছে। আমি তো কাউকে বলিনি আমি নির্বাচন করবো। এনসিপির প্রার্থী হয়ে আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে মনজুর আলম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন রয়েছে।

এর মধ্যে তার বাসায় হাসনাত আবদুল্লাহর যাওয়া নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে মনজুর আলম বলেন, ‘রাজনৈতিক কোনও বিষয়েই আমাদের মধ্যে আলাপ হয়নি।’ তিনি পুরো ব্যাপারটিকে সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এর বেশি কিছু নয়।’

 

অপরদিকে এনসিপির পক্ষ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘বৈঠকে তারা দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করেন। বৈঠকে উভয় নেতাই আগামী দিনে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।’

প্রসঙ্গত, মনজুর আলম ২০১০ সালে বিএনপির সমর্থন নিয়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন। তিনি ২০১৫ সাল পর্যন্ত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

চট্টগ্রামের খবর/ইলিয়াছ