অনুসন্ধানী প্রতিবেদন(প্রথম পর্ব) বেশ কিছু দিন অতিবাহিত হলেও ২ নারী স্বাস্থ্য সহকারীর অভিযোগটি এখনও ঝুলে রয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ( চসিক) মেয়রের দপ্তরে। যদিও বিষয়টি খুব স্পর্শকাতর।
শারীরিকভাবে হেনস্থার এই অভিযোগটি দামাচাপা দিতে ওঠেপড়ে লেগেছে অভিযুক্ত আমরুল আমিন আরাফাত ও একটি মহল। এই আরাফাত চসিক ৫নং মোহরা ওয়ার্ড অফিসে স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে সদ্য যোগদান করেন। অভিযাগকারী ২ নারীও চসিকের কাপাশগোলা ইপিআই জোনের অধীনে দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে একই অফিসে কাজ করছেন।
অভিযোগকারীরা জানান, গত ৩১ মার্চ ২০২৬ দুপুর ১২টা হতে ২টার মধ্যে স্থানীয় উসমানীয়া পুলের নিকটস্থ মুসলিম তরুণ সংঘ নামক ক্লাবে এই ঘটনা ঘটে।
ফাতেমা বেগম ও পারভিন আক্তার অভিযোগ করেন, তারা লিখিতভাবে মেয়রের কার্যালয়ে ঘটনাটি জানিয়েছেন। এখনও কোন অগ্রগতি নেই।

চাকরিতে যোগদানের প্রথম দিনেই স্বাস্থ্য সহকারী আমরুল আমিন আরাফাত তার চরিত্রের যে বহি:প্রকাশ দেখিয়েছেন তাতে মুসলিম তরুণ সংঘ ক্লাবের সদস্যরাসহ ইপিআই স্বাস্থ্যসেবা নিতে আগত অভিভাবকরা তীব্র ক্ষোভে ফুঁসে ওঠেন।
দুই নারী সহকর্মীকে প্রকাশ্যে কয়েকশত নারী পুরুষের সামনে হেনস্থা করা হয়েছে, তাতে উপস্থিত ক্ষুব্দ লোকজন আমরুল আমিন আরাফাতকে কয়েকঘণ্টা আটকে রাখেন।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আরাফাতকে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার ব্যাপারে কোন রকম মন্তব্য করতে অস্বীকার করেন এবং অফিসের সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন।
বিঃদ্রঃ
ধারাবাহিক প্রতিবেদন আসছে।
