তথ্যের সত্যতা যাচাইকালে সাংবাদিককে হুমকি দিলেন শিক্ষিকা

0

দ্বিতীয় পর্ব।। চট্টগ্রাম প্রতিবেদক: আমাদেরও পুলিশ, সাংবাদিক ও আইনজীবিসহ বিভিন্ন লোক আছে, এই সব ভূইফোড় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করে  আমাদের কিছুই করতে পারবেন না। এমন মন্তব্য করে সাংবাদিকদের বিভিন্ন হুমকি দিলেন বাংলাদেশ মহিলা সমিতি (বাওয়া) স্কুলের দিবা ভাগের শিক্ষিকা সুলতানা রাজিয়া ও তার ভাড়া করা লোকজন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া,বরিশাল, ও ঢাকার বিভিন্ন সূত্র হতে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, সুলতানা রাজিয়া ও তার স্বামী সাবেক কানুনগো মিজানুর রহমান বিপুল অবৈধ সম্পদের মালিক। বিষয়টি ইতোমধ্যে সরকারের গোয়েন্দা দপ্তরের নজরে এসেছে।

এবিষয়ে তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ে মিজানুর রহমান ও সুলতানা রাজিয়ার নিকট অনেক বার ফোন কল করা হলেও তারা রেসপন্স করেননি। পরবর্তীতে বাওয়া স্কুলের এন্ড কলেজ প্রিন্সিপালের মাধ্যমে তথ্য চাওয়ার জন্য ফোন কল দিলে সুলতানা রাজিয়ার টনক নড়ে।

পরবর্তীতে সুলতানা রাজিয়া এই প্রতিবেদকের সাথে ফোন কল দিয়ে সরাসরি সাক্ষাতের কথা বলে কয়েক দফা সময় নেন এবং সময় ক্ষেপন করতে থাকেন।

পরে এই প্রতিবেদককে হঠাৎ হোয়াটসঅ্যাপে গ্রুপ কল দিয়ে কথিত সাংবাদিক, কথিত পুলিশ ও কথিত আইনজীবী দ্বারা নানা হুমকি দেয়া হয়। সে সাথে তথ্যসূত্র প্রকাশের জন্য এবং প্রকাশিত সংবাদের পক্ষে কী কী দলিল রয়েছে তা জানতে চাওয়া হয়, তা জানানোর জন্য বার বার চাপ দেয়া হয়।

তবে তারা প্রতিবেদকের সুনির্দিষ্ট  প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্ঠা চালান।

তাছাড়া ফোন কলে চট্টগ্রাম সমাচার পত্রিকার সম্পাদক, প্রকাশক এবং রিপোর্টারদের নাম ও পরিচয় জানতে চান শিক্ষিকা সুলতানা রাজিয়ার ভাই পরিচয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তি। তিনি তাদের দেখে নেয়ারও হুমকি দেন।

 

এ সময় গ্রুপ কলে শিক্ষিকা সুলতানা রাজিয়া ও তার স্বামী ব্রাহ্মণবাড়িয়া ভূমি অফিসের সাবেক কানুনগো মিজানূর রহমান যুক্ত ছিলেন।

চট্টগ্রাম সমাচারে “যেভাবে কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক হলেন এই স্কুল শিক্ষিকা”  শীর্ষক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে তিনি এই প্রতিবেদককে টেলিফোনে উপরোক্ত মন্তব্য করেন।

শিক্ষিকা সুলতানা রাজিয়া ভূঁইফোড় সংবাদপত্রে কি লিখলো না লিখলো তাতে কিছু আসে যায় না মন্তব্য করে আরও বলেন, ’দুদক তদন্তে আসলে দেখা যাবে, যা বলার তাদেরকেই বলবো। তিনি দাম্ভিকতার সাথে বলেন, আমাদেরও সাংবাদিক, পুলিশ ও আইনজীবী আছে!”

অল্প বেতনে চাকরি করে কয়েকটি অত্যাধুনিক ভবন ও ফ্ল্যাটের মালিক কীভাবে হলেন?  এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষিকা সুলতানা রাজিয়া বলেন, আমার স্বামী সরকারি বড় অফিসার, সরকারি ভূমি অফিসের কানুনগো ছিলেন, দুজনেই টাকা পয়সা রোজগার করি,সম্পত্তি থাকাটাই স্বাভাবিক।

এ দিকে আমাদের  ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি, জেলা সদর ভূমি অফিসের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানান, বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ বিভাগে প্রচুর মাল বানিয়েছেন সাবেক কানুনগো মিজানূর রহমান

বি.দ্র: এ বিষয়ে বিস্তারিত আসছে…

চট্টগ্রাম সমাচার/ইই

error: কন্টেন্ট চুরি করে ধান্ধাবাজি বন্ধ কর, আমরা জানি জেনে গেলাম আপনার পরিচয়!