’আমি নির্দোষ ও ষড়যন্ত্রের শিকার’-শিক্ষিকা সুলতানা রাজিয়া

0

চট্টগ্রাম প্রতিবেদক: নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ ও ষড়যন্ত্রের শিকার বলে দাবী করেছেন বাংলাদেশ মহিলা সমিতি (বাওয়া) স্কুলের শিক্ষিকা সুলতানা রাজিয়া। তিনি বলেন, ”পরিবারের শত্রুরা আমি ও আমার নিরাপরাধ স্বামীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত, আমরা জানি ও চিনি তাদের”।

চট্টগ্রাম সমাচারে “যেভাবে কোটি কোটি টাকার সম্পদের মালিক হলেন এই স্কুল শিক্ষিকা”  শীর্ষক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে তিনি এই প্রতিবেদককে টেলিফোনে উপরোক্ত মন্তব্য করেন।

এখানে উল্লেখ যে, প্রতিবেদন প্রকাশের আগেই বক্তব্য নিতে উক্ত শিক্ষিকা সুলতানা রাজিয়ার সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্ঠা করা হয়। তিনি একবারও কল রিসিভ করেন নি।

বাওয়া স্কুলের অধ্যক্ষের মাধ্যমে শিক্ষিকা সুলতানা রাজিয়ার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি উপরোক্ত দাবী ও মন্তব্য করেন।

শিক্ষিকা সুলতানা রাজিয়া ভূঁইফোড় সংবাদপত্রে কি লিখলো না লিখলো তাতে কিছু আসে যায় না মন্তব্য করে আরও বলেন, ’দুদক তদন্তে আসলে দেখা যাবে, যা বলার তাদেরকেই বলবো। আমাদেরও সাংবাদিক, পুলিশ ও আইনজীবী আছে।”

পরে এই প্রতিবেদককে হোয়াটসঅ্যাপে গ্রুপ কল দিয়ে কথিত সাংবাদিক, কথিত পুলিশ ও কথিত আইনজীবী দ্বারা নানা হুমকি দেয়া হয়। সে সাথে তথ্যসূত্র প্রকাশের জন্য এবং প্রকাশিত সংবাদের পক্ষে কী কী দলিল রয়েছে তা জানতে চাওয়া হয়, তা জানানোর জন্য বার বার চাপ দেয়া হয়। এ সময় গ্রুপ কলে শিক্ষিকা সুলতানা রাজিয়া ও তার স্বামী যুক্ত ছিলেন।

দুদকের কাজ কী

 

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) একজন চেয়ারম্যান ও দুজন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত। চেয়ারম্যানসহ দু’জন কমিশনারের উপস্থিতিতে কোরাম গঠিত হয়। চেয়ারম্যান কমিশনের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি অন্য দুই কমিশনারের দায়িত্ব বণ্টন করবেন এবং সেসব কাজের জন্য তাঁরা চেয়ারম্যানের নিকট জবাবদিহি হবেন। রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ৫ (পাঁচ) বছর মেয়াদের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন। দুদক সব ধরনের দুর্নীতি বিষয়ক অভিযোগ অনুসন্ধান, তদন্ত ও মামলা পরিচালনা করে।

চট্টগ্রাম সমাচার/ইই